الدستور

الكتاب الثالث

কেন্দ্রীয় الاتحاد

ধারা-১২ : কেন্দ্রীয় الاتحاد, الرئيس المركزي, কার্যকরী পরিষদ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট- এর সমন্বয়ে গঠিত হবে।

الرئيس المركزي

ধারা-১৩ : এই الاتحادের الرئيس المركزي الاتحادের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে এক বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
ধারা-১৪ : যদি কোন কারণবশতঃ الرئيس المركزيর পদ স্থায়ীভাবে শূন্য হয় তাহলে কার্যকরী পরিষদ, পরিষদের মধ্যে থেকে একজনকে সাময়িকভাবে الرئيس المركزي নির্বাচিত করে যথাশীঘ্র সম্ভব সদস্যদের ভোটে সেশনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য الرئيس المركزي নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। যদি الرئيس المركزي সাময়িকভাবে ছুটি গ্রহণে বাধ্য হন তাহলে তিনি কার্যকরী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে পরিষদের মধ্যে থেকে তিন মাসের জন্য অস্থায়ী সভাপতি নিযুক্ত করতে পারবেন।
ধারা-১৫ : الرئيس المركزي বা অস্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত বা নিযুক্ত হবার পর কার্যভার গ্রহণের পূর্বে সদস্যদের সম্মেলনে অথবা কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে الدستورের الاختتامে বর্ণিত সভাপতির শপথ গ্রহণ করবেন।
ধারা-১৬ : الرئيس المركزيর দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, এই الاتحادের মূল উদ্দেশ্য হাসিল, পরিচালনা, কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সর্বোৎকৃষ্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণ।
ধারা-১৭ : الرئيس المركزي সব সময় কার্যকরী পরিষদের পরামর্শ অনুসারে কাজ করবেন। কিন্তু দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন ও কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত নেই এমন কোন বিষয়ে জরুরী ও সাময়িক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন হলে তিনি এ নিয়মের অধীন থাকবেন না।
ধারা-১৮ : الدستورের বিভিন্ন ধারায় কেন্দ্রীয় সভাপিতকে যে সব ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, তিনি নিজে অথবা কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলো প্রয়োগ করতে পারবেন।

কার্যকরী পরিষদ

ধারা-১৯ : সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতি একশত পঁয়তাল্লিশ জনে একজন হারে এবং অবশিষ্ট সংখ্যার জন্য একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যকরী পরিষদ এক বছরের জন্য গঠিত হবে এবং সভাপতি প্রয়োজন বোধ করলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি হবে না, এমন সংখ্যক সদস্যকে এবং কার্যকরী পরিষদের প্রাক্তন সদস্যদের মধ্য থেকে অনূর্ধ্ব দু’জনকে কার্যকরী পরিষদের পরামর্শক্রমে পরিষদের অন্তর্ভূক্ত করতে পারবেন। الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের সভাপতি থাকবেন এবং الأمين العامপদাধিকার বলে কার্যকরী পরিষদের সদস্য হবেন।
ধারা-২০ : কার্যকরী পরিষদের সদস্যগণ الرئيس المركزيর ব্যবস্থাপনায় শপথ গ্রহণ করবেন।
ধারা-২১ : কার্যকরী পরিষদের কোন নির্বাচিত সদস্যদের পদ শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যেই তা পূরণ করতে হবে।
ধারা-২২ : সামগ্রিকভাবে কার্যকরী পরিষদের ও ব্যক্তিগতভাবে এর সদস্যদের দায়িত্ব হচ্ছে নিজেদের তত্ত্বাবধান, الرئيس المركزيর তত্ত্বাবধান, الاتحادে ইসলামী নীতির অনুসৃতির তত্ত্বাবধান, الاتحادের কর্মসূচি বাস্তবায়নের তত্ত্বাবধান ও পর্যবেক্ষণ, الدستور অনুসৃতির তত্ত্বাবধান, الاتحادের যে কোন ত্রুটি দূরীকরণ, الاتحادের সামগ্রিক কাজের মৌলিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, الرئيس المركزيকে পরামর্শ দান, নিঃসংকোচে মত প্রকাশ এবং কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে নিয়মিত যোগদান অথবা অভিমত প্রেরণ।
ধারা-২৩ : বছরে কার্যকরী পরিষদের দু’টি সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। الرئيس المركزي প্রয়োজন বোধ করলে অথবা কার্যকরী পরিষদের এক-পঞ্চামাংশ সদস্য অথবা الاتحادের সদস্যদের এক দশমাংশ الرئيس المركزيর নিকট লিখিতভাবে দাবি করলে কার্যকরী পরিষদের অধিবেশন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। কার্যকরী পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের দাবি পেশ করার দিন থেকে এক মাসের মধ্যেই অধিবেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
ধারা-২৪ : কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত হলেই কোরাম হবে। কিন্তু কোরাম না হওয়ার কারণে কোন অধিবেশন মূলতবী হলে পরবর্তী অধিবেশনের জন্য কোরামের প্রয়োজন হবে না। কার্যকরী পরিষদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত উপস্থিত সদস্যদের অধিকাংশের মতানুযায়ী গৃহীত হবে।
ধারা-২৫ : যদি কোন ব্যাপারে الرئيس المركزي ও কার্যকরী পরিষদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয় এবং যদি একে অপরের রায় মেনে নিতে না পারেন, তাহলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত الاتحادের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতানুযায়ী নির্ধারিত হবে।

সেক্রেটারিয়েট

ধারা-২৬ : الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে الأمين العامও প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিভাগীয় সেক্রেটারীর সমন্বয়ে সেক্রেটারিয়েট গঠন করবেন। الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনবোধে পূর্ণ বা আংশিকভাবে তার সেক্রেটারিয়েট রদবদল করতে পারবেন।
ধারা-২৭ : সেক্রেটারী জেনারেলের সেক্রেটারিয়েটের বিভাগুলোর কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার দায়িত্ব থাকবে। অধঃস্তন الاتحادগুলোর ও কর্মীদের উপর দৃষ্টি রাখা এবং الرئيس المركزيকে সমস্ত বিষয়ে ওয়াকিফহাল রাখা তার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত হবে।
ধারা-২৮ : الرئيس المركزيর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সর্বোতভাবে সহযোগিতা করাই সেক্রেটারিয়েটের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং সেক্রেটারিয়েট কাজের জন্য সভাপতির নিকট দায়ী থাকবে।

অন্যান্য স্তুর

ধারা-২৯ : প্রয়োজন ও পরিস্থিতি অনুযায়ী الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের পরামর্শক্রমে الاتحادের অন্যান্য স্তর উদ্ভাবন ও প্রশাসন পদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারবেন।

فروع عضوية

ধারা-৩০ : দু’য়ের অধিক সদস্য নিয়ে ‘فروع عضوية ’ গঠিত হবে। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে فروع عضوية র সভাপতি এক বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। অনিবার্য কারণে الرئيس المركزيর নির্দেশে সদস্যগণ বছরের যে কোন সময়ে فروع عضوية র সভাপতি নির্বাচিত করতে পারবেন।
ধারা-৩১ : কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার ভিত্তিতে الاتحادের কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও الرئيس المركزيর নির্দেশাবলী পালনই فروع عضوية র দায়িত্ব ও কর্তব্য।

فروع مرافقية

ধারা-৩২ : যেখানে فروع عضوية নেই সেখানে দু’য়ের অধিক সাথী নিয়ে الرئيس المركزيর অনুমোদনক্রমে ‘فروع مرافقية ’ গঠিত হবে। সাথীদের প্রত্যক্ষ ভোটে এক বছরের জন্য সাথী فروع র সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

নির্বাচন

ধারা-৩৩ : নির্বাচন কমিশন الرئيس المركزي নির্বাচন পরিচালনা করবেন। الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। الاتحادের সর্ব পর্যায়ের নির্বাচন পদ্ধতি কার্যকরী পরিষদ নির্ধারণ করবেন।
ধারা-৩৪ : এই الاتحادের সভাপতি বা কার্যকরী পরিষদের সদস্য বা অন্য কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নির্বাচন করা কালে ব্যক্তির আল্লাহ ও রাসূল (সা) এর প্রতি আনুগত্য, তাক্বওয়া, আদর্শের সঠিক জ্ঞানের পরিসর, সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, শৃঙ্খলাবিধানের যোগ্যতা, মানসিক ভারসাম্য, উদ্ভাবনী ও বিশ্লেষণী শক্তি, কর্মের দৃঢ়তা, অনঢ় মনোবল, আমানাতদারী এবং পদের প্রতি লোভহীনতার দিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।
ধারা-৩৫ : এই الاتحادের যে কোন নির্বাচনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ক্যানভাসের অনুমতি থাকবে না। কারো পক্ষে বা বিপক্ষে কোন গ্রুপ সৃষ্টি করা যাবে না। তবে পরামর্শ নেয়াটা ক্যানভাসের অন্তর্ভূক্ত হবে না। নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটপ্রাপ্ত ব্যক্তিই নির্বাচিত বলে ঘোষিত হবেন।

অর্থ-ব্যবস্থা

ধারা-৩৬ : الاتحادের প্রত্যেক স্তরে বায়তুলমাল থাকবে। কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দান, الاتحاد-প্রকাশনীর মুনাফা এবং যাকাতই হবে বায়তুলমালের আয়ের উৎস।
ধারা-৩৭ : সংশ্লিষ্ট সভাপতি الاتحادের কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও অন্যান্য সাংগঠনিক কাজে বায়তুলমালের অর্থ ব্যয় করবেন।
ধারা-৩৮ : বায়তুলমালের যাকাত সংগ্রহ করতে হলে পূর্বাহ্নে الرئيس المركزيর অনুমতি নিতে হবে এবং যাকাত থেকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব পৃথক রাখতে হবে। এই অর্থ কেবলমাত্র শরীয়ত নির্ধারিত খাতে ব্যয় করা যাবে। ধারা-৩৯ : অধঃস্তন الاتحادগুলো বায়তুলমাল থেকে নিয়মিতভাবে নির্ধারিত অংশ ঊর্ধ্বতন বায়তুলমালে জমা দেবে।
ধারা-৪০ : الرئيس المركزي সামগ্রিকভাবে বায়তুলমালের আয়-ব্যয় সম্পর্কে কায়করী পরিষদের নিকট দায়ী থাকবেন এবং অধঃস্তন الاتحادগুলোর বায়তুলমালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করবেন। الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের সাথে পরামর্শ করে অডিট কমিটি গঠন করবেন। অডিট কমিটি বছরে একবার কেন্দ্রীয় ও فروع বায়তুলমাল অডিট করবে। অডিট রিপোর্ট কার্যকরী পরিষদে পেশ করা হবে।

পদচ্যুতি

ধারা-৪১ : الرئيس المركزي যদি স্বেচ্ছায় শরীয়তের স্পষ্ট বিধান লঙ্ঘন করেন অথবা তার شؤونে الاتحادের ক্ষতি হবার আশঙ্কা দেখা দেয় তাহলে তাকে পদচ্যুত করা যাবে।
ধারা-৪২ : যদি কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ সদস্য الرئيس المركزيর প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব পাস করেন, তাহলে এক মাসের মধ্যে পূর্ণ বিষয়টি সদস্যদের নিকট পেশ করতে হবে। অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলে الرئيس المركزي পদচ্যুত হবেন। অধিকাংশ সদস্য সভাপতির সমর্থনে ভোট দিলে কার্যকরী পরিষদ পদচ্যুত হবেন এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ধারা-৪৩ : সদস্যদের মধ্য হতে الرئيس المركزيর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করতে হলে এ প্রস্তাবের পক্ষে প্রমাণাদিসহ সদস্যদের এক দশমাংশের স্বাক্ষর নিয়ে লিখিতভাবে কার্যকরী পরিষদের নিকট তা পেশ করতে হবে। এর পরে অনাস্থা প্রস্তাবটি এক মাসের মধ্যে কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে পেশ করতে হবে। কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ সদস্য الرئيس المركزيর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করলে এক মাসের মধ্যেই পূর্ণ বিষয়টি সদস্যদের নিকট পেশ করতে হবে। অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলে الرئيس المركزي পদচ্যুত হবেন। অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিলে কার্যকরী পরিষদ পদচ্যুত হবেন এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ধারা-৪৪ : যদি الرئيس المركزي কার্যকরী পরিষদের অথবা কার্যকরী পরিষদের কোন নির্বাচিত সদস্যের রদবদল করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন, তাহলে তিনি الاتحادের সদস্যদের মতামত গ্রহণ করবেন। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তার মতের পক্ষে রায় দেন, তাহলে উক্ত নির্বাচিত সদস্য অথবা কার্যকরী পরিষদ পদচ্যুত হবেন। কিন্তু যদি কার্যকরী পরিষদের সমষ্টিগত পদচ্যুতির ব্যাপারে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য الرئيس المركزيর মতের বিরোধিতা করেন, তাহলে এক মাসের মধ্যে কার্যকরী পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে الرئيس المركزي অবশ্যই পদত্যাগপত্র দাখিল করবেন।
ধারা-৪৫ : কার্যকরী পরিষদের কোন সদস্য তখনই তার সদস্যপদ হারাবেন, যখন তিনি الاتحادের সদস্য না থাকেন অথবা উপযুক্ত কারণ ব্যতীত কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে পর পর দু’বার অনুপস্থিত থাকেন অথবা কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং সভাপতি তা মঞ্জুর করেন অথবা যারা তাকে নির্বাচিত বা মনোনীত করেছেন, তাদের অধিকাংশ যদি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেন।
ধারা-৪৬ : الرئيس المركزي প্রয়োজনবোধে যে কোন সাথী فروع কে ভেঙ্গে দিতে এবং যে কোন فروع عضوية কে সাসপেন্ড করতে পারবেন। কিন্তু কোন فروع عضوية কে সম্পূর্ণ ভেঙ্গে দিতে হলে তাকে কার্যকরী পরিষদের পরামর্শ নিতে হবে।

الدستورের সংশোধন

ধারা-৪৭ : এ الدستورের কোন সংশোধনী সরাসরি সদস্যদের সম্মেলনে সমস্ত সদস্যদের অধিকাংশের ভোটে মঞ্জুর করা যাবে। কিন্তু উক্ত সংশোধনীর নোটিশ সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবার দুই সপ্তাহ আগে الرئيس المركزيর নিকট পোঁছাতে হবে। এই الدستورের কোন সংশোধনী কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশের ভোটেও মঞ্জুর করা যাবে। কিন্তু এরূপ কোন সংশোধনী গৃহীত হবার দুই মাসের মধ্যেই সমস্ত সদস্যদের অধিকাংশের ভোটে তা মঞ্জুর করে নিতে হবে।
ধারা-৪৮ : এ الدستورের কোন ধারা বা বিষয়ের ব্যাখ্যার ব্যাপারে কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

বিবিধ

ধারা-৪৯ : জানুয়ারী মাস থেকে এ الاتحادের সাংগঠনিক বছর শুরু হবে।
ধারা-৫০ : এ الاتحادের সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব ছাত্রের শিক্ষাজীবন সমাপ্ত হয়ে যাবে তাদেরকে নিয়ে এ الاتحادের একটি ভ্রাতৃশিবির গঠিত হবে।